Surprising Benefits of Exercise

Physical Exercise Is Going To Boost Your Cardiovascular Health.

Keeping Smile!

When someone is rude, keep a smile on your face. When you stay on the right road and keep your joy, you take away their power.

Yoga postures to relieve menstrual cramps

Many women suffer abdominal cramps during their menstrual cycles. At times, the cramps are combined with shooting or burning sensations in the lower abdomen. Nausea is also common during periods in females.

Health Benefits of Running

The health benefits of running include weight loss, a youthful appearance, prevention of muscle and bone loss, growth hormone enhancement, the prevention of stroke, diabetes, and hypertension. It also lowers high cholesterol level, improves blood clotting, boosts the immune system, reduces stress, and enhances mood.

Showing posts with label নাক- কান ও গলার সমস্যা. Show all posts
Showing posts with label নাক- কান ও গলার সমস্যা. Show all posts

Sunday, January 11, 2015

নাক ডাকার সমস্যা!

নাক ডাকার সমস্যা চিরতরে দূর করবে ২টি জাদুকরী পানীয়!


নাক ডাকার সমস্যা আপাত দৃষ্টিতে খুব বেশি ক্ষতিকর মনে না হলেও এটি আসলে বেশ খারাপ একটি সমস্যা। এটিকে হৃদরোগের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এছাড়া এই নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়।

তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা নয় মোটেই। সমস্যাটি কীভাবে দূর করা যায় সে বিষয়ে ভাবতে হবে। ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। জানতে চান কীভাবে? চলুন তবে দেখে নেয়া যাক।

গাজর- আপেলের জুসঃ
শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।

✰  ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।
✰  এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
✰  এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
✰  কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন।
✰  এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।

হলুদের চা!
হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।

✰  ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।
✰  এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)। এবার আবার জ্বাল করতে থাকুন।
✰  যখন পানি ফুটে ১ কাপ পরিমাণে চলে আসবে তখন তা নামিয়ে ছেঁকে ফেলুন।
✰  এবার ১/২ চা চামচ মধু ও ২/৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
✰  প্রতিদিন ঘুমুতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পান করে নেবেন। দেখবেন নাক ডাকার সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।]

Wednesday, December 4, 2013

নাক দিয়ে রক্ত পড়া (Epistaxis) এর সমস্যা ও সমাধান!

নাক দিয়ে রক্ত পড়া আমাদের একটি সাধারণ বা সচরাচর ঘটে থাকা ঘটনার মধ্যে একটা। আসুন জেনে নেই নাক দিয়ে রক্ত পড়া নিয়ে ...!


নাক দিয়ে রক্ত পড়া (Epistaxis) কি? 
ছোট ছেলে-মেয়েদের মধ্যে প্রায়ই নাক দিয়ে রক্ত পড়া দেখা যায়। অনেক সময় বড়দেরও পড়তে দেখা যায়। এটা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। রক্ত পড়া অল্প সময়ের জন্য ৩-৪ বার পড়তে থাকে। যদি ১-২ দিন অনবরত পড়তে থাকে তবে উপযুক্ত কারণ খুঁজে চিকিৎসা করা দরকার।

নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কারনঃ
নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কারনগুলোকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি ...

১) কোন কারন ছাড়া রক্ত পড়াঃ 
কারণ ছাড়া (Idiopathic) ক্ষেত্রে নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না ...
২) নাকের সমস্যাঃ
-> আঘাত -সাধারণত: নাকে কোন ভোতা বস্ত্ত দিয়ে আঘাত করলে
-> বহিরাগত দ্রব্য- যেমন হাত দিয়ে নাক খোটার সময়
-> শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতা জনিত- যেমন নাকের সর্দি, সাইনোসাইটিস
-> নাকের কোন সমস্যা, যেমন পলিপ/টিউমার থাকলে
-> রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা থাকলেও নাক দিয়ে রক্ত পরতে পারে
-> নাকের অপারেশন
৩) শারীরিক সমস্যাঃ
-> আঘাত
-> এলার্জি
-> প্রদাহ
-> উচ্চ রক্তচাপ
-> রক্ত স্বল্পতা/এনিমিয়া
-> রক্তে জমাট বাঁধার সমস্যা হিমফিলিয়া, লিউকোমিয়া ইত্যাদি
-> মাসিক-এর সময় এবং গর্ভাবস্থায়
-> এছাড়া ঔষধ যেমন-এসপিরিন, আইবুপ্রফেন সেবনের কারণে অনেক সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।

লক্ষণ/চিহ্নঃ
সাধারণ বলে মনে হলেও রোগটি কিন্তু মোটেই সাধারণ রোগ নয়; বড় বিপজ্জনক রোগ। একে অবহেলা করা উচিত নয়। এই রোগে হঠাৎ হঠাৎ নাক দিয়ে রক্ত বের হতে পারে। কখনো ফোঁটা ফোঁটা, কখনো বেশ গড়গড় করে পড়ে। কখনো জমাট বাঁধা খয়েরি রঙের রক্তও বের হয়। নাকে ঘা বা ফোঁড়া না হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নাক দিয়ে রক্ত পড়ার পিছনে নাক ছাড়াও অন্য কারণও থাকে। এটি উপসর্গ মাত্র।

চিকিৎসা/ব্যবস্থাপনাঃ
-> রোগীর পূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন।
-> নাক দিয়ে রক্ত পড়লে সঙ্গে সঙ্গে বসে পড়ুন এবং বৃদ্ধ ও নির্দেশক অঙুলি দিয়ে নাকের সামনের নরম অংশে চাপ দিয়ে এবং মুখ দিয়ে শ্বাস নিন...
এভাবে ১৫-২০ মিনিট চেপে ধরলে অনেক ক্ষেত্রে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
-> অনেক সময় কপালে, ঘাড়ে বরফ দিয়ে ঘষলে বা বরফ ঠান্ডা পানি খেলে উপকার পাওয়া যায়।
-> যদি এতেও বন্ধ না হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
-> অবস্থ্যা জটিল হলে ডাক্তার রক্তের উৎস (Cauter) নির্নয় করে নাক প্যাক (ANS/PNS pack) দিয়ে রক্তক্ষরন বন্ধ করেন। মেডিক্যাল কারণে রক্ত ঝরলে তার চিকিৎসা করেন। নাকের পেছনের অংশ থেকে রক্ত ঝরলে রোগীর অবস্থা আশঙ্কা যুক্ত হতে পারে ...!

উপদেশঃ খাদ্য ও পথ্য
#পথ্য খাবার কোনো অসুবিধা নেই, খেতে পারলে সব খাবারই খাওয়া যাবে।
#রোগের সঠিক কারণ খুঁজে বের করা গেলে সেভাবেই চিকিৎসা করতে হবে।
#উচ্চ রক্তচাপ বা বেশি রক্তশুন্যতার সৃষ্টি হলে হাসপাতালে পাঠাতে হবে।
#সঠিক রোগ নির্ণয় না করে চিকিৎসা করা উচিত না।

আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

Tuesday, December 3, 2013

টনসিলের প্রদাহ বা টনসিলাইটিস!

গলায় ব্যথা হলেই আমরা বলে দিই, তোমার তো টনসিল হয়েছে

তো এই টনসিলটা কী?

টনসিল হলো আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটা অংশ এবং আমাদের মুখের ভেতরেই চারটি গ্রুপে তারা অবস্থান করে এদের নাম লিঙ্গুয়াল, প্যালাটাইন, টিউবাল ও অ্যাডেনয়েড এই টনসিলগুলোর কোনো একটির প্রদাহ হলেই তাকে বলে টনসিলাইটিস ‘টনসিল বলতে আমরা সচরাচর যা বুঝি, তা কিন্তু আসলে টনসিলাইটিস



টনসিলাইটিস যে শুধু শিশুদের হয়, তা নয় এটা শিশুদের বেশি হলেও যেকোনো বয়সেই হতে পারে
আর প্যালাটাইন টনসিলই সবচেয়ে বেশি প্রদাহ সৃষ্টি করে, ফলে গলা ব্যথা হয়এই প্রদাহ সাধারণত
দুই ধরনের হয় একটি তীব্র বা অ্যাকিউট আর অন্যটি দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক টনসিলাইটিস

রোগের লক্ষণঃ-
 * তীব্র গলাব্যথা
* মাথাব্যথা, উচ্চ তাপমাত্রা
* খাবার খেতে কষ্ট ও মুখ হাঁ করতে অসুবিধা হয়
* কানে ব্যথা হতে পারে
* মুখ দিয়ে লালা বের হয় ও কণ্ঠস্বর  ভারী হয়ে যেতে পারে
* মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে পারে
* স্বরভঙ্গ, গলায় ঘাসহ টনসিল স্ফীতি, ঢোঁক গিলতে কষ্ট হয়, গলা ফুলে যাওয়া

কারণঃ-
 পুষ্টির অভাব,আইসক্রিম, ফ্রিজে রাখা শীতল পানি বেশি পান করা টনসিলের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে স্যাঁতসেঁতে স্থানে বাস করলে, আবহাওয়ার পরিবর্তনে শীতের প্রকোপ বেশি হলে, রোদ থেকে এসে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করলে, গরমে ঘাম বসে গেলে টনসিলের প্রদাহ বেড়ে যেতে পারে

চিকিৎসাঃ
 প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে 
* পূর্ণ বিশ্রাম নিতে হবে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে যত দিন সুস্থ না হবে 
* মুখের হাইজিন (মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য) বা ওরাল হাইজিন ঠিক রাখতে হবে এটাকে মাউথ ওয়াশ বলা হয়, যা দিয়ে বারবার কুলি করতে হবে 
* সাধারণ স্যালাইন বা লবণ মিশ্রিত গরম পানি দিয়ে বারবার কুলি করতে হবে লেবু বা আদা চাও খেতে পারেন 
* গলায় ঠান্ডা লাগানো যাবে না
* যেহেতু তীব্র ব্যথা থাকে এবং জ্বর থাকে, সে ক্ষেত্রে জ্বরের ওষুধসহ কিছু ওষুধ দেওয়া হয় এবং এটা ব্যাকটেরিয়া জনিত ইনফেকশন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেতে হতে পারে ওষুধ নিয়মিত খেলে ব্যাকটেরিয়া সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে যায় এবং রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে
* দীর্ঘমেয়াদি টনসিলাইটিসের চিকিৎসা সাধারণত অস্ত্রোপচার যদি বারবার টনসিলাইটিস হয় বা এর জন্য অন্য কোনো জটিলতার সৃষ্টি হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে টনসিল কেটে বা অস্ত্রোপচার করে ফেলাই ভালো

জটিলতাঃ
* টনসিল ফুলে শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যাওয়া। 
* গিলতে অসুবিধা হওয়ায় পানি না খেয়ে ডিহাইড্রেশন।
* বাতজ্বর এমনকি রিউমেটিক হার্ট ডিজিজ।
* গলার অন্যান্য স্থানে পেরিটনসিলার এবসিস।

 কী কী কারণে টনসিলের অস্ত্রোপচার করা দরকার?
 * দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক টনসিলাইটিস
* টনসিল বয় হয়ে শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে গেলে এবং নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হলে
* টনসিলে যদি ফোঁড়া হয়, অর্থাৎ ইনফেকশন হলে
* যদি বছরে চার-পাঁচবারের বেশি টনসিল ইনফেকশন হয়
* এসব কারণ ছাড়াও যদি দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক ক্রিপটোকঙ্কাল ইনফেকশন হয়

কখন অস্ত্রোপচার করা যাবে নাঃ-
* অ্যাকিউট ইনফেকশন থাকলে টনসিলে অস্ত্রোপচার করা যাবে না কারণ, তখন ইনফেকশন সারা শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে বন্ধ না-ও হতে পারে
* জ্বর বা ব্যথা থাকা অবস্থায় করা যাবে না
* যদি কারও রক্তরোগ থাকে, যেমন থ্যালাসেমিয়া রক্তনালি এবং রক্তরোগ থাকলে টনসিলে অস্ত্রোচার করা যাবে না
* এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অস্ত্রোপচার করা যাবে না এ ক্ষেত্রে যদি করতেই হয়, তাকে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এনে অস্ত্রোপচার করতে হবে
* ডায়াবেটিস থাকলে অস্ত্রোপচার করা যাবে না অস্ত্রোপচারের আগে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে

কিছু ভুল ধারণা!
টনসিল ফেলে দিলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, এটা ঠিক নয় কারণ, টনসিল হলো প্রথম পাহারাদার এর পরও গলায় ৩০০-এর বেশি লালাগ্রন্থি বা গ্ল্যান্ড আছে, যেগুলো রোগ প্রতিরোধ করে অনেক সমীক্ষায় দেখা গেছে,  টনসিলে অস্ত্রোপচার করার আগে ও পরে রোগ প্রতিরোধে কোনো তারতম্
হয় না অনেক সময় গলার বাইরের দিকে দুই পাশে বরই বিচির মতো দুটি দানা ফুলে উঠতেও দেখা যায়, অনেকে এগুলোকে টনসিল মনে করলেও এরা কিন্তু টনসিল নয় রোগী বড় করে মুখ হাঁ করলে ভেতরের দিকে যে দুটি বড় দানার মতো দেখা যায়, তা-ই হলো টনসিলাইটিসে আক্রান্ত টনসিল

আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য। ধন্যবাদ।

Monday, November 4, 2013

নাকের নালীতে খাদ্য কণা !

হঠাৎ করে ভাত, পানি বা অন্য কোন খাদ্য কণা নাকের নালীতে ঢুকে যাওয়া এক যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতা।


প্রচন্ড জ্বালাপোড়া, শ্বাসকষ্ট, নাক-চোখ দিয়ে পানি ঝড়া, হাঁচি কাশিতে যাচ্ছেতাই অবস্থার সৃষ্টি হয়। তবে এটা খুব গুরুতর মেডিকেল ইমাজেন্সী নয়। আসুন দেখি কি করে এই যন্ত্রণা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি মেলে।

১. খাওয়া বন্ধ করে সচেতন ভাবে মেরুদন্ড সোজা করে শান্ত হয়ে বসুন।
২. কতটুকু গভীরে খাদ্য কণাটি রয়েছে তার আন্দাজ করার চেষ্টা করুন।
৩. নাকের বদলে মুখ দিয়ে শ্বাস নিন এবং অযথা চিৎকার ও বিলাপ করবেন না।
৪. আস্তে আস্তে নাক টানুন যেন মুখ দিয়ে খাদ্য কণা বের হয়ে আসে।
৫. এসময় পানি পান থেকে বিরত থাকুন।
৬. খাদ্যকণা বেরিয়ে আসার সময় মারাত্মক জ্বালাপোড়া অনুভব হবে ধরে নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকুন। 
৭. এর পরও বের না হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে চিকিৎসার জন্য চলে যান।

আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য